ধন্যবাদ এ্যাসেট প্রোজেক্ট বাপা
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আমি মিজানুর রহমান বরিশালের ছেলে ছোট বেলা থেকেই বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছে ছিলো, তবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি দক্ষ হয়ে কাজ শিখে তারপরে বিদেশে যাবো।দু-চোখ ভরা স্বপ্ন ছিল,সহজ ছিল না বাস্তবে রূপ দেয়া, তবে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রুপান্তরের সিঁড়ি হল এ্যাসেট প্রোজেক্ট বাপা।
আমার এলাকার এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে জানতে পারি বরিশাল এভারগ্রীণ এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিতে অ্যাসেট প্রকল্পের অধীনে সম্পূর্ণ ফ্রিতে বিভিন্ন কাজের উপর প্রশিক্ষণ দেয় এবং প্রশিক্ষণ শেষ ভাতাও প্রদান করে। তাই দেড়ি না করে ওখানে গিয়ে(ফুড কোয়ালিটি কন্ট্রোল লেভেল -৩) প্রশিক্ষণে ভর্তি হয়ে যাই এবং সফলতার সাথে অ্যাসেট-বাপা এর মাধ্যমে তিন মাসের ইবিটি প্রশিক্ষণ শেষ করি।
বর্তমানে আমি মালয়েশিয়া এসেছি এবং অনেক স্বনামধন্য একটা রেষ্টুরেন্টে ফুড নিয়ে কাজ করছি। এখানে আমার বেতন ১ লাখ টাকার মত। আমি এবং আমার পরিবার সারাজীবন অ্যাসেট প্রকল্প এবং এর সাথে যারা জড়িত সবার জন্য দোয়া করবো। আমার সফলতা হলো এখানেই, আজ আমি সরকারের ফ্রি প্রশিক্ষণ নিয়ে সরকারের কাছেই রেমিটেন্স পাঠাচ্ছি।

